অপরিচিতা তুমি- নাম না জানা ফুল
জানালার অপর প্রান্তে ঘোলা আরশী
সুস্পষ্ট তোমার প্রতিচ্ছবি।
তোমার নাম কী?- নীলা!
সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের কাব্যরাণী নীরার মতো!
তুমকি নীরা রূপী নীলা!
নীল রং-এ দুর্বলতা,
তোমায় দেখে আরো প্রবল,
নীল জামা জড়িয়ে ছিলো তোমায়
যেন মেঘহীন আকাশের প্রতিবিম্ব।
বক্ররেখার মতো দেহযষ্টি,
চিকন আঁকাবাঁকা মানবমূর্তি।
অকস্মাৎ দেখা যায় চাঁদ-আয়নায় প্রতিবিম্ব,
বিস্মিত মন- দিনের আলোয় চাঁদ!
হঠাৎ অপ্রত্যাশিত আলোর ঝলকানি,
ঘুম ভাঙ্গার মতো কাটলো ঘোর,
চাঁদের প্রতিবিম্ব নয়-
আয়নায় দেখেছিলাম তোমার হাসির প্রতিচ্ছবি
প্রসারিত চিকন ঠোঁট – তুমি হাসছিলে....
আচমকা জ্বালা করে উঠে চোখ-বন্ধ হয়ে যায়,
বাতাসে ঝরেছে পাপড়ি
জোর করে চোখ খুলি- আবার তাকাই আয়নায়
তুমি নেই- আয়না জুড়ে শূন্যতা
তবে তুমি ছবি হয়ে রয়ে গেছো ভাবনায়!
শব্দরা ভাবনার কাছে অসহায়,
ভাবনারা কারাবন্দী মস্তিষ্কের প্রতিটা সেলে।
তোমার সাথে কার যেন মিল পাচ্ছে মন,
আচ্ছা! সে আমার বহুবছর আগের কবিতা নয়তো!
সে আমার সদ্য হারিয়ে যাওয়া কবিতা নয়তো!
সে আমার চুরি হওয়া - হৃদয় বাগিচার ফুল নয়তো!
না, না, আর ভাবতে চাই না,
অসময়ে অশ্রু ঝরাতে চাই না।
মিথ্যে অজুহাতে অশ্রু লুকাতে চাই না।
নীলপদ্মের নীল টা রেখে – পদ্ম হারাতে চাই না।
শীতল বাতাস বইছে,
তবু শরীর জুড়ে উত্তাপ
মন গহীনের অগ্নিসখা
শরীরে ছড়াচ্ছে উত্তাপ।
সূর্য রশ্মি; বাষ্পায়িত সাগর জল,
ভাবনায় পরিবর্তন – সেই তুমি ময় নেত্রকোন।
বিরহ নেয় ঠাঁই – মন আকাশে মেঘালয়
দুঃখ সুখের মিশ্রণ, প্রতিবিম্বিত সারাজীবন

No comments:
Post a Comment